ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
রিপোর্টার সাব্বির হোসেন
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় ২০ হাজারের বেশি অবৈধ ভাবেই ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা প্রতিদিন সকাল ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্য়ন্ত খিলক্ষেত এলাকায় দাপিয়ে বেরায়।বেপোরোয়া হয়ে গাড়ি চালায় গাড়ির চালকরা প্রতিদিন ঘটছে নিত্য নতুন দূর্ঘটনা যার ফলে জ্যামে অতিষ্ঠ খিলক্ষেতের জনজীবন,
সরকারি খাতের বিদুৎ সংকট বা ঘাটতির উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় অটোরিশকা গ্যারেজ গুলোকে। বিদুৎ অপচয়ের মহোৎসব চলছে প্রতিটি গ্যারেজে। কিছু সূত্রে: জানা গেছে ২০১৬ সালে স্বৈরাচার আওমীলীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে বেশ কিছু অবৈধ অটো রিকশার গ্যারেজ তৈরি হয়।
সেই সময়ের পরিচালনা করা করতো আওমীলিগের ক্যাডার বাহিনীর ছত্র ছায়ায়। সেই থেকে আর শফিক ভাণ্ডারীর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ৩০ টা অটো রিশকা মালিক তিনি নয়ানগর ভান্ডারী গ্যারেজ মালিক আলাদিনের চেরাগ পেয়ে অবৈধ গ্যারেজ দিয়ে লাখ লাখ টাকার মালিক।আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ, সময়ের সাথে তাদের আচার-আচরণ পরিণত হয়েছে সিংহের মত। ভান্ডারী গ্যারেজ মালিকের (শফিকের )নামে হাজার হাজার অভিয়োগ রয়েছে। ৫ই আগষ্ট ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে নতুন করে,যেখানে দেশের মানুষ রাজপথে নেমে ছিলো,সেখানে ভান্ডারী গ্যারেজ মালিক টাকা দিয়ে আওমীলিগের শেল্টার দিয়েছে।
অটো চালকরা বলছে, গ্যারেজ মালিক গুলো গরিব ও অসহায় চালকদের র্টারগেট করে প্রতারণা করছে । অটো রিশকা যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত কথা থাকলেও সেটাও করেনা। অটোরিকশা মেরামতের খরচ চালকদের উপরে দোষ চাপিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। সাংবাদিক এই বিষয়ে গ্যারেজ মালিকের সাথে কথা বলতে চাইলে রাজি হয়নি।
এই বিষয়ে তথ্য নিতে গেলে সাংবাদিকে হুমকি দেয় হাত পা কেটে ফেলবে সাংবাদিকের বাসাই গিয়ে মিথ্যা দোষারোপ চাপিয়ে হুমকি দিয়ে আসেন। এক ভুক্তভোগী জানায় থানার ওসি, শফিক ভান্ডারীর বোনের জামাই, সেই ভয়ে আমরা কারো কাছে বিচার পাবো না জেনে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য হই। এবং প্রতিদিন জমার দিতে হয় ৫০০ টাকা, কিন্তু কলাকৌশলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন অনেক।পরবর্তীতে অটো রিশকা না চালালে জমা খাতায় টাকা না উঠিয়ে সেই খাতা দেখিয়ে ৫/৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ভাণ্ডারী গ্যারেজের মালিক। অসুস্থতা কারণে চালকরা অটোরিকশা না চালাতে পারলে
সেই চালকদের কাছে থেকে অতিরিক্ত জরিমানা নিচ্ছেন এমন খবর পেয়ে সাংবাদিক গেলে তার আগেই তিনি পরিবেশ সামাল দেন স্বাভাবিক পরিবেন করে ফেলেন ।স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার ৫ই আগষ্ট পতনের পরেও থামছে না প্রতারণার ফাঁদ। এই অবৈধ অটোরিকশা চলাচল হাইকোর্টের বন্ধের নির্দেশ থাকলেও কোন পরিবর্তন আসেনি নিময় কানুন। খিলক্ষেত নয়ানগর নামকরা গ্যারেজ শফিক ভাণ্ডারী এই গ্যারেজ পেছেনে রয়েছে। অটো রিক্সার অবৈধ পার্টস, ব্যাটারি, কেনাবেচার সহ চোরাই অটো রিশকার কালার করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে ।পাশা পাশি সুদের কারবার সুদের মধ্যে রেখে আমাদের পঙ্গু করে ফেলেছে। নতুন নতুন অটোগুলো কিন্তির মাধ্যমে নিয়া দেন চালকদের পরবর্তী সময়
কিন্তির টাকা চালক পরিশোধ না করতে পারলে।গ্যারেজ মালিক প্রতারণার কৌশল অসহায়তের দূর্বলতার সুয়োগ নিয়ে অল্পদামে সেই অটোরিকশা কিনে নেন। নিরুপায় হয়ে অনেক চালক যারা বাড়ির জমি বিক্রয় করে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছে । আমাদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এবং জীবনটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়েছে । আমরা সঠিক বিচারের আশা করছি এবং আইনগত ব্যবস্তার নেয়ার জোর দাবি জানাই