ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
হাবিব সরকার স্বাধীন
রাজধানী চলছে কথিত নামধারী সাংবাদিকের ছড়াছড়ি! চাঁদাবাজি ব্ল্যাকমেইল ফিটিং সহ নানান অপরাধ কর্মকাণ্ড।চিত্র আমাদের নিত্যদিনের ঘটনা,গতকাল টঙ্গী বাজার এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে জনতার ক্রাইম এর সাংবাদিক,ও ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দানকারী সালাম গং গ্রেফতার হয়।
তথ্যসূত্রে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান। এই চক্রটি কখনো সাংবাদিক, কখনো মানবাধিকার কর্মী, আবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে মোটা আঙ্কেল চাঁদা নিয়ে যায়। ওদের কর্মকাণ্ড অতিষ্ট হয়ে জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের সোপর্দা করে। সারাদিন ওদের কাজ চাঁদাবাজি প্রতারণা ফিটিং বাণিজ্য করে অর্থ হাতি নেওয়া। ওরাই এখন মস্ত বড় সাংবাদিক! মনে পড়ে বিখ্যাত কবি কথা।কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন ঠাকুর ঘরে ক্যারে? চোর বলেছিলেন দাদু আমি কলা খাই না। অর্থাৎ ঘরের ভিতরে কি হচ্ছে কারো অজানা নয়। ইতিহাসে অহরহ প্রমাণ রয়েছে ,পাপ বাপকেও ছাড়ে না।
এই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উঠে আসে চঞ্চলকর তথ্য,জমির দালাল, কেয়ারটেকার, আদম ব্যবসায়ী, ডাব বিক্রেতা, হকার, ওরা এখন এলাকায় জুড়ে মস্ত বড় সাংবাদিক। টঙ্গী বাজারে কথিত ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সালাম গং গ্রেফতারে নতুন বাজার এলাকাদের সবাই আনন্দিত। অভিযোগ উঠেছে প্রতিদিন আব্দুল সালাম এর নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন অপেশাদার, ডাব ব্যবসায়ী, মাছ ব্যবসায়ী, রিক্সা চাকল, হকার, ইত্যাদি।
এই দল নিয়ে চাঁদাবাজী করে থাকেন অদক্ষ বদমেজাজি পাঠা সালাম।জানা যায় অশিক্ষিত অদক্ষ সিন্টিকেট মাফিয়াদের গড ফাদার পাঠা সালাম। এমনই অজস্র অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো ব্ল্যাকমেল ইজ্জতহানী তাদের মূল লক্ষ্য। পাশে বড় ক্যামেরাম্যান চাঁদাবাজি বড় হাতিয়ার , এই বাটপার চক্রটির বিরুদ্ধে প্রায় অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
কিছুদিন পূর্বে ২৫/৬/২৫/ ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটক হয় পাঠা সালাম গং। পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের সাবেক এসিল্যান্ড বাসিত সাত্রারের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পেয়ে যায়। সর্বোপরি মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পায় সালাম গং।
আবারো ২৪/৮/১১/ নতুন বাজার মোরে আফজাল বেকারি তে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে যুবদলের নেতা সহ আশেপাশে মানুষের হাতে আটক হয় সালাম গং। সেখানে ও পরবর্তীতে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ভন্ড প্রতারক সালাম গং কে। বিএনপির স্থানীয় বাসিন্দার দাবি নতুন বাজার বাটারা থানা আতংকের নাম সালাম। সারাদিন থানায় বসে তদবির বাণিজ্য করে থাকেন।
অভিযোগ রয়েছে খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের সভাপতি কে মোবাইলে হুমকি দেন কুলাঙ্গার পাঠা সালাম! ওকে দুটি দোকান দিতে হবে। নয়তো প্রেসক্লাবে এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাবে! সভাপতি বললে এটা আমার দায়িত্ব না।আপনি বাজার কমিটির সাথে কথা বলেন।
চোরে শুনে না ধর্মের কাহিনী,
মূর্খ সালাম মাছ ব্যবসায়ী যেমন কথা তেমন কাজ, প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালান থাকেন। ভিত্তিহীন প্রচার বিরুদ্ধে থানায় তার নামে জিডি করা হয় জিডি নং ৩৩।আরো প্রমাণ রয়েছে খিলক্ষেত বড়ুয়া খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের পরিচয় দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তার সংগঠনের আরেক চাঁদাবাজ। খিলক্ষেত মা বেকারিতে চাঁদবাজী টাকা ভাগাভাগি নিয়ে গণধোলাই খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে!
খিলক্ষেত এসে ধান্দাবাজি ভন্ডামি না করার জন্য সতর্ক করে দেন খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের সভাপতি। চাঁদাবাজির বিষয়টি সতর্ক করলে চাঁদাবাজির করতে ব্যর্থ হওয়ায় খিলক্ষেত প্রেসক্লাবের সভাপতি নামে চলে মিথ্যা অপপ্রচার।এই কুলাঙ্গার ও কথিত ভুয়া অঙ্গসংগঠন চাঁদাবাজি দোসরাদের দ্রুত আইনের আলতায় এনে সাংবাদিক ও সমাজকে কলঙ্কিত মুক্ত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দ্রুত প্রয়োজন। স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানান। তাদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ। এই গ্রুপের সদস্য নেতৃবৃন্দ যাদেরকে পাবেন তাদেরকে যাচাই-বাছাই করুন। দুর্নীতি মুক্ত দেশ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ আমাদের লক্ষ্য। যেখানে দেখবেন অপরাধ দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিবাদ গড়ে তুলুন।