• ঢাকা
  • সোমবার , ১ ডিসেম্বর ২০২৫ , রাত ০৩:২০
  • ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

বাঞ্ছারামপুরে রাজনীতি মাঠে দক্ষ মেধাবী সৎ রফিক শিকদারের বিকল্প নাই

রিপোর্টার : দৈনিক গণমানুষের বাংলাদেশ
বাঞ্ছারামপুরে রাজনীতি মাঠে দক্ষ মেধাবী সৎ  রফিক শিকদারের বিকল্প নাই ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি :


বাঞ্চারাপুর,বি বাড়িয়া জেলা, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে অন্যতম একটি জেলা। সেখানেই গর্বিত সন্তান, স্থানীয় প্রভাবশালী, সংবাদ কর্মীদের বিশ্বস্ত তো ব্যক্তি সর্বস্তরের পরিচিত মুখ। অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার। জানা যায়,কর্ম দক্ষতা গুণ কোন কিছুরই কমতি নেই এই নেতার।বাঞ্চারামপুর থানা ৬ নং আসন সকলের সুপরিচিত মুখ রফিক শিকদার।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জন্য মন প্রাণ উজাড় করে মাঠে ময়দানে অন্যতম নাম রফিক শিকদার।জেল জুলুম, নিপীড়ন,শুধু  দলকে ভালোবেসে অহরহ প্রমাণ রয়েছে। দুর্ভাগ্য তবুও রাজপথের লড়াকু  মানুষটিকে বাঞ্ছারামপুর ৬ নং আসন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে!


বাঞ্ছারামপুরের মানুষের চাওয়া পাওয়া,স্থানীয় ভোটারদের দাবি। বিএনপির দলের প্রতি এত ত্যাগ ভালোবাসা যার আছে  একবার রফিক শিকদার কে  কি সুযোগ দেওয়া যায় না? মাননীয় তারেক রহমান বাঞ্ছারামপুরে  রফিক শিকদার মত দক্ষ মেধাবীকে অত্যন্ত প্রয়োজন স্থানীয়দের শেষ  চাওয়া পাওয়া। অনুসন্ধানে জানা যায়। এডভোকেট শিকদার ১৯৮৬ সালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে -- ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে  মুলত আশা:  রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা । তখন একনায়কতন্ত্রী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ক্যাম্পাসে ও পীচঢালা রাজপথে মিছিলে আর সমাবেশে শ্লোগান দেন তিনি । ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন । 



        টিএসসিতে রবার স্কাউটিং,,রক্তদান কর্মসূচীতে নিয়মিত রক্তদান, কবিতা আবৃত্তি শিখা ,আন্ত:হল বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে সাহিত্য পাঠ করা, হল পাঠকক্ষে নিয়মিত পত্রিকা পড়া, সেমিনার - সিম্পোজিয়ামে বিদগ্ধ আলোচকদের নিয়মিত স্রোতা হওয়া ; কখনো বা ক্ষুদে বক্তা হওয়া এবং সাংস্কৃতিক চর্চা এসব ছিল রফিক শিকদার এর পড়াশোনা এবং ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি ব্যস্ত থাকার অনেকগুলো অধ্যায় ।  ৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ সদস্য আহবায়ক কমিটির সদস্য হন। ৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার ক্যারিসমেটিক  লিডারশীপে - ছাত্র- গনঅভ্যুথানে এরশাদ সরকারের পতন হয় । 

   

      ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম

নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া --  বিএনপি সরকার গঠন করবার পরপর ডাকসু নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে জগলু - এনি প্যানেলে মনোনয়ন পান ; যাহা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কারনে বন্ধ হয়ে যায় । ১৯৯২ সালে জাতীয়তবাদী ছাত্রদলের ৭১ সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন তিনি । ১৯৯৬ সালে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব নেন রফিক শিকদার । ১৯৯৮ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ -সভাপতি নির্বাচিত লাভ করেন।এরইমাঝে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করতে  বিএ (অনার্স), এম এ, এলএলবি ডিগ্রি লাভ করে একাডেমিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে । পরবর্তীতে এডভোকেটশীপ পদ লাভ করেন এই নেতা । 

  

২০০২ সালে জাতীয়বাদী যুবদলের নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন । ২০০৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির  যুগ্ম আহবায়ক কেন্দ্র থেকেই  নির্বাচিত হয়। যেখানে জেলা কমিটির আহবায়ক ছিলেন -- সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট হারুন আল রশীদ।২০০৯ সালে বিএনপি'র জাতীয় কাউন্সিলে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন এই কৃতি সন্তান রফিক শিকদার। ২০১৬ সালে পুনরায় সদস্য পদে নির্বাচিত হয় । এছাড়াও বাঞ্চারামপুর উপজেলা বিএনপি'র ১ নং সদস্য প্রতিটি কমিটিতে দক্ষতা মেধাগুনে তিনিই ছিলেন এলাকাবাসী পছন্দ করতেন। স্থানীয়ভাবে এর বাইরে কোন পদের পক্ষে তিনি নেই জানা যায়।বিভিন্ন মেয়াদে এতোগুলো পদে যোগ্যতা থাকতেও হাইকমান্ডার জনাব তারেক রহমান এর দৃষ্টি কি পড়ে না। এমনটাই প্রকাশ হতাশাগ্রস্থ বাঞ্ছারামপুরে অ্যাডভোকেট রফিক প্রেমিক সমর্থক ও ভোটারা। তথ্যসূত্রে আরো জানা যায়। একটা সময় রাজনীতি থেকেও সরে গিয়ে জুনিয়রদের জায়গা করে দেবার মানসিকতা অন্যতম মানুষ তিনি রফিক শিকদার।কথা হয়,প্রতিবেদকের সাথে এই শক্তিমান রাজনীতি বীর রফিক শিকদার এর সঙ্গে।তিনি জানান  রাজনীতি করতে হলে মন বড় হতে হবে,, টাকা পয়সা কম থাকুক আর বেশি থাকুক সমস্যা নেই । আর যারা বলেন  টাকা পয়সা না থাকলে রাজনৈতি হয় না ভুল।বিএনপি টাকার রাজনৈতি বিশ্বাসী নয়।রফিক শিকদার  বলেন। আমিও তাদের সম্মানের সাথেই বলি -- উপজেলায় যারা আমাকে মায়া করেন এবং যাদের আমিও ভালোবাসি ---!  তিনারাই আমার শক্তি এঁরাই আমার অযুত - নিযুত কোটি টাকা । এছাড়া বাঞ্চারামপুর উপজেলার মানুষ লোভ- লালসায় বা  টাকা -পয়সায় বেচাকেনা হয়না  ; বেঈমানী করেনা ; অন্যায়ের কাছে মাথানত করেনা ;কোন পরাভব বরদাস্তও করে না । আমাদের মাটির সম্মান আছে। 


 রফিক শিকদার  স্মৃতিময় কিছু কথা।তিনি বলেন আজ মনে পড়ে ১৯৮৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে -- বাঞ্চারামপুর উপজেলা ছাত্রদল গার্লস স্কুলে ঘাসের উপর  বসে আমিই বাদল, সাজ্জাদ, কবির, ফারুক, মুজিব আইউয়ুব, সেলিমদের নিয়ে সংঘটিত করি সর্বপ্রথম ;  এরপরেই সাইদ এবং সাগরদেরকে পাই । কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করবার ইতিহাস আমার আছে ।আমরা ছাত্র রাজনীতিতে থাকা কালীন সারা বাংলাদেশে ছাত্রদলের সম্মেলন, নবীন বরন, অভিষেক, সভা সমাবেশে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হতাম  ; এসব কর্মসূচীতে যাবার জন্য সাবেক এমপি শাহজাহান হাওলাদার সুজন এবং আমি রফিক সিকদার কেন্দ্র থেকে নির্দেশিত হতাম তখন বহুবার । আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধুমাপায়ী ফোরাম প্রতিষ্ঠা করি এবং মাদকবিরোধী সংগঠন গঠন করি । 

এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করি দায়িত্ব নিয়ে । শিক্ষা সফর, বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প করে অগনিত গরীব মানুষের সেবা দিতে চেষ্টা করি। 


 রোড মার্চ, র‍্যালি, মিছিল, সভা -সমাবেশ, কর্মী সভা, বিভাগীয় সমাবেশ, মানববন্ধন, পদযাত্রা, অবস্থান কর্মসূচি, হরতাল যে নামেই বলি ;  দলীয় সকল কর্মসুচী বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ১৯৮৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অগনিতবার জেল খেটেছি, মিথ্যা মামলা খেয়েছি ; পুলিশের হামলা, মামলা, লাঠি, টিয়ারগ্যাস নিপীড়ন - নির্যাতনসহ  সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে বিরামহীন ও নির্ভীকতার সাথে মাঠে থাকবার নজীর সৃষ্টি করেছি । 


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগের দিন 

৪ঠা আগস্ট রাতে কারফিউ ভংগ করে--জিটিভিতে  সরকারের কর্মকান্ড সাহসের সাথে ঝুকি নিয়েই - দলের পক্ষে কথা বলি ; যাহা সকল মহলে প্রশংসার সাথে আলোচনা হয় আজো ।  দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রতিটি নির্বাচনে --জাতীয় সংসদ,  কি!  সিটি কর্পোরেশন ; কি! স্থানীয় সরকার নির্বাচনে -- জনমত গঠন করে নির্বাচনী মাঠে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি । এরপরও মনে হয় দলের জন্য আমি তেমন কিছুই করতে পারিনি । আমার চেয়েও অনেক অনেক বেশী ত্যাগ স্বীকার করেছেন শহীদ জিয়া পরিবার । আবার দলের অনেক সিনিয়র এবং জুনিয়র নেতাকর্মীও । 


  সুতরাং শুধুই পদের জন্য গ্রুপিং না করে আদর্শের লড়াইয়ে ঝাপিয়ে পড়ি। সামনের দিনগুলোতে রাজনীতি অতো সহজ নয় । আসুন আমরা সবাই আরও সহনশীল হই । যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং দলীয় পদকে সম্মান প্রদর্শন করি । কেউ ব্যাক্তির গ্রুপ না করে দলের জন্য কাজ করাই উত্তম স্বিদ্ধান্ত । 

  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক ৷৷ প্রধানমন্ত্রী মেডাম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানই আমাদের --  অনিবার্য, অপরিহার্য এবং মুর্ত শক্তি । বিএনপিই আমাদের রাজনৈতিক ঠিকানা ।



বাংলাদেশ

জাতীয়

রাজনীতি

সারাবাংলা

বিএনপি

বাংলাদেশ

আরও পড়ুন