ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
বনানী প্রতিনিধি
রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী থানায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক চিত্র এখন চরম প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় কমিটি, একই পরিবারের সাতজন সদস্যের প্রভাব এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বনানী থানা মহিলা দল কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। নেতাকর্মীদের অভিযোগ—বর্তমান কমিটি কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। নেই কোনো সাংগঠনিক সভা, নেই আন্দোলন-সংগ্রামে দৃশ্যমান ভূমিকা। বরং একটি বিশেষ পরিবার কেন্দ্রিক নেতৃত্বের কারণে যোগ্য ও ত্যাগী নেত্রীরা পরিকল্পিতভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।
সবচেয়ে বিস্ময়কর অভিযোগ হলো—এই পরিবারভিত্তিক কমিটির অন্তত একজন সদস্যের বিরুদ্ধে অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। এমন বাস্তবতায়
“যারা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছে, তারা কীভাবে বিএনপির মহিলা দলের নেতৃত্ব দেয়?”
অনুসন্ধানে জানা গেছে, একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে বিভিন্ন পদে বসিয়ে বনানী থানা মহিলা দলকে ব্যক্তিগত বলয়ে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, রাজপথে লড়াই করা নেত্রীরা মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মহিলা দল উত্তরের নব নির্বাচিত কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বনানী থানা মহিলা দলের বর্তমান কমিটি নিষ্ক্রিয়, সরজমিনে দেখা যায়, বনানী থানা মহিলা দলের কমিটির ৭ জন একিই পরিবারের, একজন আওয়ামী মহিলা লীগের, নির্বাচন সামনে রেখে নেই তাদের কোন কর্মকান্ড, নেই কোন দলীয় কর্মসূচিতে
এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি প্রস্তাবিত বনানী থানা মহিলা দল কমিটিতে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত কয়েকজন নেত্রীর নাম সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। “বনানীতে মহিলা দলকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে। আওয়ামী দোসর বা নিষ্ক্রিয় নেতৃত্ব চাই না। মহিলা দলে গাপটি মেরে বসে সুবিধা নিতে ব্যস্ত ওরা।”তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানী থানা মহিলা দলের নবগঠিত কমিটি নিয়ে বিতর্কিত সৃষ্টি হচ্ছে বারবার। স্থানীয়দের দাবি এত নেতা কর্মী থাকা সত্ত্বেও কেন এই নাটকীয় কমিটি। জেল জুলুম নির্যাতিত তাদেরকে কমিটি না দিয়ে বর্তমান মহিলা দল কখনো সুফল আনতে পারবে না। তৃণমূল পর্যায়ের অভিযোগ আরও গুরুতর—বর্তমান নেতৃত্ব ইচ্ছাকৃতভাবে বনানীতে মহিলা দলের শক্তিশালী সংগঠন গড়ে উঠতে দিচ্ছে না, যাতে ব্যক্তিগত আধিপত্য অক্ষুণ্ন থাকে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বনানী থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যদি পরিবারতন্ত্র ও বিতর্কিত অতীতের নেতৃত্ব বহাল থাকে, তাহলে তা শুধু মহিলা দল নয়, সামগ্রিকভাবে বিএনপির সাংগঠনিক ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
এখন তৃণমূলের একটাই দাবি—
নিষ্ক্রিয়, পরিবারনির্ভর ও বিতর্কিত নেতৃত্ব বাতিল করে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত ত্যাগী নেত্রীদের সমন্বয়ে অবিলম্বে একটি শক্তিশালী, আন্দোলনমুখী মহিলা দল কমিটি গঠন।
ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়—সেদিকেই এখন তাকিয়ে বনানী থানা বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী।
মহিলা দল উত্তরের নব নির্বাচিত কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
বনানী থানা মহিলা দলের বর্তমান কমিটি নিষ্ক্রিয়, সরজমিনে দেখা যায়, বনানী থানা মহিলা দলের কমিটির ৭ জন একিই পরিবারের, একজন আওয়ামী মহিলা লীগের, নির্বাচন সামনে রেখে নেই তাদের কোন কর্মকান্ড, নেই কোন দলীয় কর্মসূচিতে